X
Menu
X

মধ্যরাত নাগাদ পশ্চিমবঙ্গ-খুলনা উপকূল অতিক্রম করতে পারে ঘূর্ণিঝড় ‘বুলবুল’

মধ্যরাত নাগাদ পশ্চিমবঙ্গ-খুলনা উপকূল অতিক্রম করতে পারে ঘূর্ণিঝড় ‘বুলবুল’

মোংলা ও পায়রা সমুদ্র বন্দরসমূহকে ১০ (দশ) নম্বর (পুনঃ) ১০ (দশ) নম্বর মহাবিপদ সংকেত এবং চট্টগ্রাম সমুদ্র বন্দরকে ০৯ (নয়) নম্বর মহাবিপদ সংকেত (পুনঃ) ০৯ (নয়) নম্বর মহবিপদ সংকেত দেখিয়ে যেতে বলা হয়েছে।

ঘূর্ণিঝড় ও মুন ফেজ (Moon Phase) এর প্রভাবে উপকূলীয় জেলা চট্টগ্রাম, নোয়াখালী, লক্ষ্মীপুর, ফেনী, চাঁদপুর, বরগুনা, ভোলা, পটুয়াখালী, বরিশাল, পিরোজপুর, ঝালকাঠি, বাগেরহাট, খুলনা, সাতক্ষীরা এবং তাদের অদূরবর্তী দ্বীপ ও চরসমূহের নিম্নাঞ্চল স্বাভাবিক জোয়ারের চেয়ে ৫-৭ ফুট অধিক উচ্চতার জলোচ্ছ্বাসে প্লাবিত হতে পারে। উত্তর বঙ্গোপসাগরে অবস্থানরত সকল মাছ ধরার নৌকা ও ট্রলারকে পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত নিরাপদ আশ্রয়ে থাকতে বলা হয়েছে।

উত্তরপশ্চিম বঙ্গোপসাগর ও তৎসংলগ্ন এলাকায় অবস্থানরত অতি প্রবল ঘূর্ণিঝড় ‘বুলবুল’ আরও উত্তর-উত্তরপূর্ব দিকে প্রায় ১২ কিমি/ঘণ্টা বেগে অগ্রসর হয়ে একই এলাকায় (২১.৩ ডিগ্রি উত্তর অক্ষাংশ এবং ৮৮.১ ডিগ্রি পূর্ব দ্রাঘিমাংশ) অবস্থান করছে। বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদপ্তরের বিশেষ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

এটি আজ (০৯ নভেম্বর ২০১৯) সন্ধ্যা ০৬টায় চট্টগ্রাম সমুদ্রবন্দর থেকে ৪২৫ কিলোমিটার পশ্চিম-দক্ষিণপশ্চিমে, কক্সবাজার সমুদ্রবন্দর থেকে ৪৩০ কিলোমিটার পশ্চিম-দক্ষিণপশ্চিমে, মংলা সমুদ্রবন্দর থেকে ২১০ কিলোমিটার দক্ষিণপশ্চিমে এবং পায়রা সমুদ্র বন্দর থেকে ২৫৫ কিলোমিটার দক্ষিণপশ্চিমে অবস্থান করছিল।

এটি আরও উত্তর/উত্তরপূর্ব দিকে অগ্রসর হয়ে আজ (০৯ নভেম্বর ২০১৯) মধ্যরাত নাগাদ পশ্চিমবঙ্গ-খুলনা উপকূল (সুন্দরবনের নিকট দিয়ে) অতিক্রম করতে পারে। ঘূর্ণিঝড়টির প্রভাবে বাংলাদেশের উপকূলীয় এলাকায় দমকা/ঝড়ো হাওয়া অব্যাহত রয়েছে।

অতি প্রবল ঘূর্ণিঝড় কেন্দ্রের ৭৪ কিলোমিটার এর মধ্যে বাতাসের একটানা সর্বোচ্চ গতিবেগ ঘন্টায় ১১০ কিলোমিটার যা দমকা অথবা ঝড়ো হাওয়ার আকারে ১৩০ কিলোমিটার পর্যন্ত বৃদ্ধি পাচ্ছে। অতি প্রবল ঘূর্ণিঝড় কেন্দ্রের নিকটে সাগর খুবই বিক্ষুব্ধ রয়েছে।

মোংলা ও পায়রা সমুদ্র বন্দরসমূহকে ১০ (দশ) নম্বর (পুনঃ) ১০ (দশ) নম্বর মহাবিপদ সংকেত দেখিয়ে যেতে বলা হয়েছে। উপকূলীয় জেলা ভোলা, বরগুনা, পটুয়াখালী, বরিশাল, পিরোজপুর, ঝালকাঠি, বাগেরহাট, খুলনা, সাতক্ষীরা এবং তাদের অদূরবর্তী দ্বীপ ও চরসমূহ ১০ (দশ) নম্বর মহাবিপদ সংকেতের আওতায় থাকবে। চট্টগ্রাম সমুদ্র বন্দরকে ০৯ (নয়) নম্বর মহাবিপদ সংকেত (পুনঃ) ০৯ (নয়) নম্বর মহবিপদ সংকেত দেখিয়ে যেতে বলা হয়েছে। উপকূলীয় জেলা চট্টগ্রাম, নোয়াখালী, লক্ষ্মীপুর, ফেনী, চাঁদপুর এবং তাদের অদূরবর্তী দ্বীপ ও চরসমূহ ০৯ (নয়) নম্বর মহবিপদ সংকেতের আওতায় থাকবে।

কক্সবাজার সমুদ্র বন্দরকে ০৪ (চার) নম্বর (পুনঃ) ০৪ (চার) নম্বর স্থানীয় হুঁশিয়ারি সংকেত দেখিয়ে যেতে বলা হয়েছে। ঘূর্ণিঝড় অতিক্রমকালে চট্টগ্রাম, নোয়াখালী, লক্ষীপুর, ফেনী, চাঁদপুর, বরগুনা, পটুয়াখালী, ভোলা, বরিশাল, পিরোজপুর ঝালকাঠি, বাগেরহাট, খুলনা, সাতক্ষীরা জেলা সমূহ এবং তাদের অদূরবর্তী দ্বীপ ও চরসমূহে ভারী থেকে অতি ভারী বর্ষণ সহ ঘন্টায় ১০০-১২০ কিলোমিটার বেগে দমকা অথবা ঝড়ো হাওয়া বয়ে যেতে পারে।

ডেস্ক রিপোর্ট

দুর্যোগ বিষয়ে সচেতনতা তৈরিই ‘দুর্যোগ অনুধাবন’এর লক্ষ্য। দুর্যোগ বিজ্ঞান; পরিবেশ; আবহাওয়া ও জলবায়ু; দুর্যোগ অর্থনীতি; জীবন প্রণালী; জিআইএস ও রিমোট সেন্সিং; দুর্যোগ বিপদাপন্নতা; সংঘাত; দুর্যোগ যোগাযোগ; দুর্যোগে মানবিকতা; দুর্যোগ, খাদ্য ও পুষ্টি; দুর্যোগ ও স্বাস্থ্য; দুর্যোগ সংশ্লিষ্ট নীতি ও আইন প্রভৃতি দুর্যোগ অনুধাবন আধেয়। গণমাধ্যমে প্রকাশিত দুর্যোগ সংশ্লিষ্ট বিষয়গুলোও থাকছে এখানে। অলাভজনক সংঘ হিসেবে কার্যক্রম পরিচালিত হবে। 

You Might Also Liked

শনিবার ভোরে বাংলাদেশের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলে পৌঁছাতে পারে ঘূর্ণিঝড় ফণি ঘূর্ণিঝড়: করণীয় ও বর্জনীয় ঘূর্ণিঝড় ফণি: শুক্রবার বিকেলে উড়িষ্যায়, সন্ধ্যায় খুলনায় ঘূর্ণিঝড় প্রস্তুতিতে করণীয়; আপনি কি প্রস্তুত?
Leave a Reply

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Recent Comments